রক্তদান কর্মসূচী
নিজের রক্ত দান করে অন্যের জীবনরক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত 'বোন ম্যারো' নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকার জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। বাচানো এক মহৎ কাজ।
দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তিরত এক গর্ভবতী মহিলা ।তার সন্তান জন্মদানের অস্ত্রপচার এর সময় রক্তের প্রয়োজন হয় । ট্রাফিক এর দায়িত্বরত অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তি পেয়ে ছুটে যাই রক্ত দান করতে ।
নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।প্রতি পাইন্ট (এক গ্যালনের আট ভাগের এক ভাগ) রক্ত দিলে ৬৫০ ক্যালরি করে শক্তি খরচ হয়। অর্থাৎ ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।মানুষ এবং সমাজের উপকারের স্বার্থে রক্তদান অন্যতম কর্তব্য। রক্তদানের মাধ্যমে নিজের শরীর ঠিক থাকে এবং অন্যের জীবন বাঁচে।