করোনা সচেতনা
করোনা : করোনা সচেতনতায় যুবকদের ভূমিকা ।
১২/০৯/২০২০ সরাসরি সম্প্রচার-
করোনার গ্রাসে সমগ্র বিশ্ব আজ থমকে গেছে ,থমকে গেছে বিশ্বায়নের চাকা,থমকে গেছে বিশ্বের অর্থনীতির চাকা,থমকে গেছে মানুষে মানুষে সরাসরি যোগাযোগ। তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক দূরত্ব পাশাপাশি চলছে সামাজিক দূরত্ব,শুধু টিকে আছে ভার্চুয়াল জগত।ভার্চুয়াল জগতই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে।এই করোনা সংকটকালে নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে প্রযুক্তি একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে সকল প্রকারের যোগাযোগ রক্ষা করাসহ প্রত্যেকটি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক নয়, বরং ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধির দিকেই বেশি জোর দিচ্ছেন যুবকরা। কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত - সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে আপনি এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন। কার্যকরী মাস্কের ব্যবহার ও বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন যুবকরা। এদিকে করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ এড়াতে এখন থেকেই ব্যাপক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফেস মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার উপযুক্ত সময় এখনই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কেউ শনাক্ত হলে দ্রুত তাকে আলাদা করে কিভাবে চিকিৎসার আওতায় আনা যায় সেদিকে নজর দিচ্ছে আইইডিসিআর।
তবে এখন পর্যন্ত কোন ঔষধ আবিষ্কার না হওয়ায় প্রতিরোধের দিকেই বেশি জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ। কন্ট্রোল রুম খোলা, হাসপাতালের নতুন ওয়ার্ড প্রস্তুতের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে কাজ করার কথা জানিয়েছে আইইডিসিআর।
এদিকে ভাইরাসের, ধরণ, লক্ষণ ও প্রতিকারের সম্ভাব্য নানা পথ নিয়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন সভা সেমিনারে কথা বলছেন চিকিৎসকরা। নতুন এ ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় এখন থেকেই চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেয়ার অনুরোধ জানান তারা।
আর এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন ধরনের অনলাইন ভিত্তিক মিটিং ও আলোচনা সভার আয়োজন করছেন যুবকরা।নিরাপত্তা বজায় রেখে জনসমাজে জনসচেতনা বৃদ্ধি,লিফলেট ,মাস্ক ,হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন ধরণের উপকরণ বিনামূল্যে বিতারণ করছেন তরুণরা।
এছাড়াও কার্টুন চিত্র ,স্থির চিত্র ,সর্ট ভিডিও ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে সচেতনা বৃদ্ধি করছেন তরুণ রোভাররা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বিনা প্রয়োজনে বাইরে না বেরোনো। আপনি হয়ত স্ট্রং, সাধারণ ফ্লুয়ের উপসর্গও নেই। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও আপনি ঠিকক সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু চৌদ্দদিনের মধ্যে আপনি যদি অন্য কোন মানুষের সংস্পর্শে আসেন তাহলে তাঁর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এটা ভেবে শিক্ষিত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যদি এটুকু মেনে চলেন তাহলেই আমরা নিরাপদ থাকব।
আসুন দেখিয়ে দিই, করোনা সচেতনা বৃদ্ধিতে তরুণরাই সবার শীর্ষে।
# শারীরিক দুরত্ব~ মেনে ~চলি
~নিরাপদে ~থাকি।